দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার হাতিয়া ও বুড়াবুড়ী ইউনিয়নের সংযোগস্থলে ব্রহ্মপুত্র নদের প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে জলঙ্গার কুটি ও বাবুর চর এলাকার বাসিন্দারা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে নদীর তীরে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে শত শত নারী-পুরুষের পাশাপাশি অংশ নেয় শতাধিক শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ছিল বাড়িঘর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হারানোর শঙ্কা।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা আছিয়া বেগম বলেন, “এই ভিটাটুকুই আমাদের সব। এবার নদী যদি নিয়ে যায়, আমরা কোথায় যাব?” তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এলাকার বেসরকারি স্কুলটি নদীগর্ভে বিলীন হলে শিশুদের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাবে।
পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিমা আক্তারও একই উদ্বেগ জানিয়ে বলে, “আমাদের স্কুলটা যদি নদীতে চলে যায়, আমরা কোথায় পড়ব?”
স্থানীয়দের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে কুড়িগ্রাম জেলা উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদ এ কর্মসূচির আয়োজন করে। সমাবেশে বক্তব্য দেন সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু, সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ খাজা শরীফ রিন্টু, সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সাইয়েদ আহমেদ বাবুসহ অন্যরা।
অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু বলেন, নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ বারবার গৃহহীন হলেও তাদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কোনো স্থায়ী সমাধান নেওয়া হচ্ছে না। তিনি দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানান।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, জেলার ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদে বিভিন্ন স্থানে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত এক লাখ জিওব্যাগ সরবরাহের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হবে।